fbpx

The Path To Higher Studies In Canada: Part 1

Getting Opportunity to go for Higher Studies in a Canadian University is kind of a dream which is imagined by many of us. To make this dream true one has to go through a path of hard work, sincerity and patience. This post is copied and edited from a post written by Mr. Md Shopon who is now a Graduate Research and Teaching Assistant at University of Calgary, Canada.

This post will be helpful for anyone who dreams of going for higher studies in a english speaking country. Cause the main basis of the procedure is kind of similar.

->->

আপনি যদি এখন এখনো ব্যাচেলর/অনার্স এ অধ্যায়নরত থাকেন এবং এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে আপনি মাস্টার্স করতে কানাডা যেতে চান, আমি বলব আপনি খুব ভালো একটি সময়ে সিদ্ধান্ত টা নিয়েছেন। আপনার এখন আপনার প্রোফাইলটা ভালো করার সময় আছে। আপনি যদি একটি ভালো ইউনিভার্সিটি তে ফান্ডিং বা স্কলারশিপ নিয়ে পরতে চান, এখন থেকেই আপনাকে আস্তে আস্তে নিজেকে তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন, সিজিপিএ একটা ফ্যাক্টর মাত্র, কিন্তু শুধুমাত্র সিজিপিএ দিয়েই আপনি স্কলারশিপ বা ফান্ডিং ব্যাবস্থা করতে পারবেন না। আমি আপনাদের জন্য নিম্নক্ত কিছু সাজেশন দিচ্ছি যেগুলো আপনাদের করা উচিত অদ্ধ্যায়নরত অবস্থায়।

 

সিজিপিএ কে কখনো ৩.৫০ এর নিচে না নামতে দেয়ার চেষ্ঠা করবেন, আর যত বেশি রাখা যায় ততই ভালো
রিসার্চ এর কাজের দিকে একটু ফোকাস করার চেষ্ঠা করেন। আপনি চাইলেই যেই কোন একজন টিচার এর সাহায্য নিয়ে রিসার্চ এর কাজ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। আপনি যদি ১-৩ টা পাবলিকেশন নিয়ে আপনার যাত্রা শুরু করেন, আমি হলফ করে বলব আপনার জন্য অনেককিছু খুব সহজ হবে। কারণ আপনার রিসার্চ এবং পাবলিকেশন এর ভ্যালূ অনেক বেশি।
কিছু এক্সট্রা এবং কো কারিকুলার এক্টিভিটির সাথে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্ঠা করবেন। প্রফেসর রা রিসার্চ এর পাশাপাশি এই জিনিসগুলোকেও খুব ভালো চোখে দেখে আই এল টি এস এর প্রিপারারেশন নিতে থাকেন আস্তে আস্তে করে যদি সম্ভব হয় জি আর ই ড় জন্য যেই শব্দ গুলো মুখস্ত করতে হয়, অল্প অল্প করে সেই শব্দ গুলো শিখে ফেলেন। তাহলে আপনার জন্য কাজ টা আরও সহজ হয়ে যাবে। নিজেকে যেই কোন একটি নির্দিষ্ঠ রিসার্চ এরিয়া তে এক্সপারটিস তৈরি করুন। কিছু অনলাইন কোর্স করুন পড়াশুনার সিলেবাস এর বাইরে নিজেকে কিছু জিনিস এ এক্সপার্ট করে তুলুন।

 

গুরুত্বপুর্ন একটি তথ্য। দয়া করে আপনার এই যাত্রা শুরুর আগেই আপনার যাবতীয় যত সার্টিফিকেট, আইডেন্টিফিকেশন ডকুমেন্ট(পাসপোর্ট, এনআইডি) আছে সেগুলোতে আপনার নাম , ডেট অফ বার্থ, আপনার বাবা মার নাম, এই ইনফরমেশন গুলো সব সার্টিফিকেট এবং আইডেন্টিফিকেশন ডকুমেন্ট এ এক রকম আছে কিনা চেক করুন। যদি ঠিক না থাকে, এখনি ওগুলো ঠিক করার কাজে লেগে পরুন, এগুলোর কারণে পরে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। আর বাংলাদেশে তো এগুলো ঠিক করা অনেক সময়ের ব্যাপার সেটা জানেন ই। তাই সময় থাকতে এরকম কোন কিছু থাকলে আগেই ঠিক করে ফেলুন

 

1. কানাডায় পড়তে যাওয়ার সময় টা কখন?
কানাডা তে বছরে ৩ টি সেমিস্টার হয়ে থাকে। ফল(সেপ্টেম্বর), উইন্টার(জানুয়ারি), সামার(মে)। কিন্তু আপনি যদি স্কলারশিপ অথবা ফান্ডিং এর টার্গেট রাখেন তাহলে ফল সেমিস্টার টা আপনার টার্গেট করতে হবে। আপনি যদি ফল সেমিস্টার এ যেতে চান, মনে রাখবেন, আপনার প্রিপারেশন অন্তত ১ বছর আগ থেকে নিতে হবে। হ্যাঁ !! ১ বছর !! উচ্চশিক্ষার সম্পুর্ণ প্রসেস টা অনেক লম্বা। তার মানে হচ্ছে আপনি যদি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডা পরতে যেতে চান তাহলে আপনার ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রিপারাশেন নেয়া শুরু করতে হবে। আমি আপনাদের এই পুরো ১ বছরের টাইমলাইন সম্পর্কে ডিটেল এ বলব এবং এই টাইমলাইন এর ব্যপারে বলতে বলতেই আমি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাবো।

প্রশ্নঃ তাহলে অন্য কোন সময়ে কি এপ্লাই করা যায় না ?
হ্যাঁ, ফল সেমিস্টার বাদে অন্যান্য সেমিস্টার এও আপনি যেতে পারেন, কিন্তু অন্যান্য সেমিস্টার এ ফান্ডিং এর পরিমাণ টা একটু কম থাকে, তাই ফল সেমিস্টার টাই সবচেয়ে ভালো।

 

2. স্কলারশিপ বা ফান্ডিং ব্যাপার টা আসলে কি?
মূলত কয়েকভাবে আপনি কানাডা তে স্কলারশিপ পেয়ে থাকতে পারেন। আমি মুল দুইটা আপনাকে তুলে ধরছি।

সেন্ট্রাল স্কলারশিপঃ সেন্ট্রাল স্কলারশিপ হচ্ছে যেই স্কলারশিপ গুলো সরাসরি ইউনিভার্সিটি অথবা অন্য কোন মাধ্যম থেকে সরাসরি পাওয়া হয়। এই স্কলারশিপ কে অন্যভাবে “গ্যারেন্টেড স্কলারশিপ” ও বলা হয়। এই স্কলারসিপ গুলো একটু কম্পিটিটিভ হয়ে থাকে। এগুলোর জন্য আলাদা ভাবে এপ্লাই করতে হবে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামগুলোর চেয়ে মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্যে ফান্ডিং, স্কলারশিপের সুবিধা বেশি। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি ও কানাডিয়ান সরকার প্রতি বছর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। কানাডায় পড়াশোনার জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যেসব বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন:-
Banting Postdoctoral Fellowships
CIFAR Global Scholars
CIHR Fellowship
IDRC Doctoral Research Awards
IDRC Research Awards
Industrial Postgraduate Scholarships Program
Industrial Research and Development Internship (IRDI) Program
Research Associate Program
Sauvé Scholars Program
Strategic Training Initiative in Health Research (STIHR)
The Bentley Cropping Systems Fellowship
Trudeau Fellowships
Trudeau Scholarships
Vanier Canada Graduate Scholarships
Visiting Fellowships in Canadian Government Laboratories Program.
স্কলারশিপ আবেদনের সময়সূচি ও যোগ্যতাসমূহ জানতে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটসমূহ ভিজিট করতে হবে।

 

প্রফেসর ফান্ডিংঃ বাইরের দেশের শিক্ষক রা অনেক সংস্থা থেকে অনুদান পেয়ে থাকে রিসার্চ এর কাজ করার জন্য। তখন ঐ শিক্ষক রা কিছু স্টুডেন্ট দেরকে রিসার্চ এসিটেন্ট হিসেবে নেন এবং সেই স্টুডেন্ট কে টাকা প্রদান করে থাকেন। সেটার সাথে থাকে টিচিং এসিস্টেন্টশিপ ও। এখানে আপনার কোন একজন টিচার কে এসিস্ট করতে হয় যার সুবাদে আপনাকে টাকা দেয়া হবে। এই সোর্স গুলো থেকে আপনি যে টাকা গুলো পাবেন সেগুলো দিয়ে আপনি কানাডা তে থাকা খাওয়ার খরচ এবং টিউশন ফি দিতে হবে। সুতরাং ফান্ডিং জিনিস টা আসলে ফ্রি না, এখানেও আপনার কাজ করেই টাকা অর্জন করতে হবে। কিন্তু সেটা আপনার জন্য অন্যকোন কাজ করা থেকে সহজলভ্য এবং আপনি যদি রিসার্চ এ ভালো কাজ করেন, আরো অনেক এওয়ার্ড থাকে যেগুলোর জন্য আপনি এপ্লাই করে আলাদাভাবে টাকা পেতে পারবেন এওয়ার্ড হিসেবে।
কিভাবে এই স্কলারশিপ বা ফান্ডিং ব্যাবস্থা করতে হবে সে ব্যপারেই পোষ্ট এ আলোচনা করা হবে।

 

 

3. আমি কিভাবে শুরু করব?
প্রথম কাজঃ

কানাডা অথবা যেকোন দেশেই উচ্চশিক্ষায় যাবার প্রথম যেই জিনিস টি দরকার হয় ইংরেজি ভাষার দক্ষতা। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা প্রমাণ এর জন্য কয়েকটি পরীক্ষা আছে যেমন জিআরই, আইএলটিএস, টোফেল। কানাডায় জিআরই দেয়া টা বাধত্যামূলক না। আপনার আইএলটিএস অথবা টোফেল যেকোন একটা পরীক্ষা দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই দুটি পরীক্ষার যেকোন একটা আপনার দিতে হবে, দুইটিই না। যদি সম্ভব হয় প্রিপারেশন টাইমলাইন এর আগেই আপনার এই পরীক্ষা গুলো দিয়ে দিলে ভালো পরে দিলেও সমস্যা নেই। কিন্তু অক্টোবর এর আগে অবশ্যই দিয়ে দিবেন তাহলে আপনার জন্য কাজ অনেক সহজ হবে। কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন সেই ব্যাপারে এখানে দেখতে পারেন। বাংলাদেশে আইএলটিএস করার সুযোগ আছে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপিতে।

প্রশ্নঃ আইএলটিএস এর স্কোর কত রাখা উচিত?
ভালো ইউনিভারসিটি গুলোতে এডমিশন পেতে চাইলে কমপক্ষে ৭.০ রাখা উচিত। সাথে অবশ্যই কোন ব্যান্ড এ ৬.৫ এর কম পাওয়া যাবে না। বিভিন্ন ইউনিভারসিটির বিভিন্ন ধরনের রিকুয়ারমেন্ট থাকে। ওয়েবসাইট এ গেলেই পেয়ে যাবেন।

 

দ্বিতীয় কাজঃ

কানাডা তে স্কলারশিপ নিয়ে পরতে যাবার সবচাইতে সুবিধাজনক এবং প্রচলিত উপায় হচ্ছে প্রফেসর এর ফান্ডিং। আসলে কেন প্রফেসর আপনাকে ফান্ডিং দিবে? আর কিভাবেই বা ফান্ডিং এর জন্য আপনি এপ্লাই করবেন? এখানে আসছে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ব্যপার। প্রফেসর খুঁজে বের করে তাদের কে এপ্রোচ করা ইমেইল এর মাধ্যমে। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে, কোন প্রফেসর দের কাজের সাথে আপনার রিসার্চ অথবা থিসিস এর কাজের মিল আছে? সুতরাং দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে প্রফেসর খুঁজে বের করা। এটার পিছনে আপনার সময় দিতে হবে এবং একটু খাটা খাটনি করতে হবে। এখন কিভাবে তাহলে খুঁজে বের করবেন প্রফেসর দেরকে? এই কাজটার জন্য আপনার গুগল করা জানতে হবে ভালো করে। এই লম্বা প্রসেস এ গুগল আপনার অনেক বড় বন্ধু। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজের ওয়েবসাইট থাকে, ঐ ওয়েবসাইট এ প্রত্যেক ডিপার্টমেন্ট এর আলাদা সেকশন থাকে। আপনি যেই ডিপার্টমেন্ট এর সেই পেইজ এ গিয়ে দেখতে পাবেন প্রত্যেকজন টিচার এর আলাদা প্রোফাইল আছে।

 

 

তৃতীয় কাজঃ

আপনাকে দুইটা ডকুমেন্ট বানাতে হবে। একটা হচ্ছে আপনার একটা রিসেন্ট সিভি, আরেকটা হচ্ছে স্টেইট্মেন্ট অফ পারপাস। খুবি খুবি গুরুতপুর্ন দুইটা জিনিস।

রিসেন্ট সিভিঃ আপনার নিজের একটা সিভি অথবা রেজমে বানাতে হবে। এটা বানানোর ক্ষেত্রে মনে রাখবেন খুব রংচটা লে আউট ব্যাবহার না করাটাই ভালো। যতটুকু সম্ভব সিম্পল রাখাটাই ভালো। সবসময় চেষ্ঠা করবেন সিভি ২ পৃষ্ঠার ভিতর শেষ করতে। সিভি তে কোন কোন জিনিস রাখা ভালো সেই গুলো পয়েন্ট এ বলে দিচ্ছি:

Employment Experience: আপনি যেখানে চাকরি করছেন এবং এর আগে যে  চাকরি করেছেন সেগুলোর ব্যপারে লিখবেন এই সেকশন এ। যদি আপনি চাকরি না করে থাকেন এই সেকশন এর দরকার নেই। বর্তমান টা সবার উপরে রাখবেন

Educational Experience: রেজাল্ট সহ আপনার সকল Educational * Experience এর কোথা লিখে দিবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর নাম এবং সময়কাল টাও লিখে দিবেন

Publications: আপনার যদি কোন রিসার্চ পেপার থেকে সেগুলো টাইটেল সহ সবকিছু লিখে দিবেন Skills আপনার যাবতীয় স্কিল এর ব্যাপারে এই সেকশন এ লিখবেন।

Achievement and Certifications: আপনার সকল অর্জন এর ব্যাপারে এখানে লিখবেন। এখানে খুব অপ্রাসঙ্গিক কিছু না লিখাই ভালো। যেমন স্কুল এ থাকতে দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম, এমন আর কি। অনলাইন কোন কোর্স যদি করে থাকেন সেগুলো ও এখানে দিতে পারবেন।

References: ২-৩ জন রেফারির নামে অবশ্যই দিতে হবে। এটার ব্যাপারে অনেকেই একটু কনফিউসড থাকেন, কাকে দিবেন না দিবেন। এমন মানুষকেই দিবেন যে আপনার ব্যপারে আরেকজনকে বলতে পারবেন।

 

স্টেইট্মেন্ট অফ পারপাসঃ মনে রাখবেন, আপনার এডমিশন এর ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুতপুর্ন ভূমিকা পালন করবে এই স্টেইট্মেন্ট অফ পারপাস। কখনো অন্য কারও এসওপি কপি পেস্ট করতে যাবেন না। সেটা আপনার এডমিসন চান্স কে আরো কমিয়ে দিবে। স্যাম্পল গুলো থেকে আইডিয়া নিন। কিন্তু কপি পেস্ট করবেন না। এসওপি হবে আপনার সম্পুর্ন নিজস্ব একটি গল্প, যার সাথে অন্য কারোর মিল থাকবে না।
বি.দ্রঃ আপনার যদি পাসপোর্ট করা না থাকে, এখনি এপ্লাই করে ফেলেন, কারণ এটা আপনার দরকার হবে।

 

The next steps will be described in Part 2 of this article!

Print Friendly, PDF & Email

About Nandiny Ghosh

Nandiny Ghosh
I am Nandiny, student of Botany Department, Dhaka University. Currently my final year of B.S honours is going on. I believe, a University student is actually a student of the Universe. Here, I write about the chances and ways of career and higher studies mostly. I hope to provide as much as information I can from different sources.

Check Also

Writing Email to Professors for Higher Studies

For Higher education in Masters/PHD level, after choosing Universities, many prefer to apply through professors …

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x